শিক্ষার সহজলভ্যতা

শিক্ষা এতোটা সস্তা এবং সহজলভ্য হতে নেই।
বর্তমান সময়ে প্রতিটি ঘরে ঘরে উচ্চশিক্ষিত
ছেলেমেয়েদের বসবাস।প্রতিটি অলিগলিতে
এইচএসসি পাস করে অনার্স বা ডিগ্রি নিয়ে পড়াশোনা করা ছেলেমেয়ে পাওয়া যাচ্ছে।
আবার নতুন করে নার্সিং পড়াশোনার একটা
প্রাদুর্ভাব শুরু হয়েছে। ফলাফল খারাপ?
ছেলে হও মেয়ে হও যাওও নার্সিং পড়তে।
মানে... বিষয়টি দাড়িয়েছে এমন বেকার থাকো,মানুষ হও আর না হও অন্তত সমাজে
শো অফ করো যে তুমি পড়াশোনা করছো!!
তুমি উচ্চশিক্ষিত। আবার তুমি যেটা নিয়ে পড়াশোনা করছো সেটা নিয়ে কিছু করো বা না করো....তাও জীবনের ৪-৫টা বছর সময় নষ্ট
করে তোমায় সমাজকে দেখাতেই হবে যে
তুমি উচ্চশিক্ষিত। তুমি ভার্সিটিতে পড়ছো বা
এইচএসসির পর কিছু একটা নিয়ে পড়ছো।

মানে... কি ধরনের 3rd class দেশে 3rd class পরিবার আর সমাজ। আমি এটা বলছি না,, যে উচ্চশিক্ষা অর্জন করো না। আবার উচ্চশিক্ষা অর্জন করলেও job করতেই হবে এবং পড়াশোনার বিষয়ের উপরই job করতে হবে।

উচ্চশিক্ষা অর্জন করুক। কিন্তু শিক্ষাটা যেন কাজের হয়,উপকারী হয়। যদি তোমার মনে হয়,তুমি যে বিষয়ের উপর ৪/৫বছর পড়াশোনা করবা ঐটা নিয়ে লাইফে তুমি কিছু করবা না তাহলে তুমি শুধু মানুষের মতো মানুষ হওয়ার জন্য পড়ো পাশাপাশি কর্ম করো। আর যদি মনে করো যে,,আমি পড়াশোনা করছি নির্দিষ্ট একটি স্বপ্ন পুরনের জন্য তাহলে তোমার সময় ঠিক পথেই ব্যয় হচ্ছে।

জীবনে সবচেয়ে দামী হচ্ছে সময়। অন্তিম সময়গুলো কে waste না করে বুঝেশুনে ব্যাবহার করতে হয়। ৪/৫বছর পর একটা শো অফ সার্টিফিকেট দেখানোর কথা চিন্তা না করে বরং ৪/৫বছরে কিভাবে অর্থনৈতিক সামাজিক background বদলানো যায় সেটা চিন্তা করা আবশ্যিকিয়।
তাহলেই বেকারত্ব দূরীকরণ সম্ভব এবং শিক্ষার মান মর্যাদাও বজায় থাকে।
36 Views
0 Likes
0 Comments
0.0 Rating
Rate this:
(0)

মন্তব্য

কোন মন্তব্য নেই