লক খুলে ভিতরে ঢুকল মিঠি।
শব্দ হল।
দরজা খোলার শব্দ।
মিঠির পায়ের শব্দ।
আমাকে খুঁজল।
ভিতরে না পেয়ে ব্যলকনির দিকে এল।
বেতের চেয়ারে বসে সন্ধে হওয়া দেখছিলাম।
মোড়া টেনে কাছে বসল।
কি করছ?
কী জবাব দিব ! কিছুই করছিলাম না।
না করার কোনোও ভাষা হয় না।
আকাশে মেঘ, উড়ন্ত ছিল, রোদ্দুরের ম্লান হয়ে আসা।
অথচ এ সব যে দেখছিলাম, তাও নয়।
হয়তো ভাবছিলাম। কী ভাবছিলাম!
নির্দিষ্ট কিছু নয়।
মিঠি কি এত কিছু এত বুঝবে পারবে!
চা খেয়েছ?
জবাব দেওয়ার মতো একটা কিছু পেয়ে ঘার নাড়লাম।
খাওয়া হয়নি।।
বসো । করে আনছী চা।
মিঠি উঠে গেল।
সপ্তাহ দুই আগে ডুপ্লিকেট চাবিটা দেওয়ার পর থেকে ও যখন তখন আসে।
কিছু ক্ষণ থাকে।
এলোমেলো কথা বলে। কিছু শুনি। বেশিটাই শুনি না। চা করে খাওয়ায়। খাবার গরম করে দেই। তারপর যেমন এসেছিল, চলে যায়।
দু কাপ চা হাতে নিয়ে মিঠি ঢুকল । সঙ্গে প্লেটে চানাচুর।
হাত লাগাও ।
খেতে খেতে কথা বলো....বলে মিঠি।
চায়ে চুমুক দিলাম। মিঠির দিকে তাকালাম। পূর্ণিমার চাঁদের মতো রঙের একটা তাঁতের শাড়ি পরেছে মিঠি।
ভাল দেখাচ্ছে ওকে।।
কী দেখছো?
বলা যেত , তোমাকে। খুশি হত মিঠি।
কেন যেন মনে রাখা কথা বলতে ইচ্ছে করল না।
কিছু ক্ষণ চুপ করে থেকে মিঠে জিজ্ঞেস করল, কবে দেবে কিছু বলল?
হ্যাঁ।
কাল সকাল
সুখের ঠিকানা
36
Views
0
Likes
0
Comments
0.0
Rating

কোন মন্তব্য নেই