আমাদের সমাজ অথবা দেশে প্রতিনিয়ত শুনা যাচ্ছে ধর্ষণ এর কথা।
কিছু জঘন্য পশুদের কারনে এই দুনিয়া নামক বাগান থেকে আবারও একটি ফুল ঝরে গেলো। একটা ফুলের মতো প্রান ছলে গেলে এই দুনিয়া থেকে। এক জন বোন ধর্ষণের শিকার হয়ে কোনো বিচার না পেয়েই দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে চলে যেতো হলো।
~~~~~ আমি দোকানে বসে আছি। আমার কাছে এসে বলতে লাগলো শিমা, আসলে, আম্মুর শরীরটা ভালো নেই আর হাফটাইমের জন্য কাজে যেতে পারিনি । আমার কাছে টাকাও নেই। আপনি যদি এই ঔষধ গুলা দিতেন ভালো হতো। আমি দুপুরের পরে কাজে যাবো রাতে ফিরার সময় আপনাকে টাকা দিয়ে দিবো।
""""সমস্যা নেই আপনি পরে টাকা দিলেও চলবে,"" কি ঔষধ দিবো?
এই যে প্রেসক্রিপশন,এখানে লেখা আছে,
তারপর তাকে কিছু ঔষধ দিয়ে দিলাম, সেও আমাকে ধন্যবাদ দিয়ে চলে গেলে। আমিও ব্যস্ত হয়ে গেলাম দোকানে।
রাতের প্রায় এগারোটি মতো বাজে, কিছু লোক আসলো আমার দোকানে। তারা আমাকে জিজ্ঞেস করনো ভাই আপনি তো ডক্টর! আপনি বুঝতে পারবেন ওই মেয়েটার কি হয়েছে।
---কি হয়েছে?
জানি না। সামনে একটা অল্প বয়সী মেয়ে পরে আছে। আর শরীর থেকেও রক্ত বাহির হচ্ছে। তবে মনে হচ্ছে ধর্ষন হয়েছে হয়তো। বাঁচবে কি না তাও জানি না! আপনি আমাদের সাথে একটু আসবেন?
আমি কোনো রকমে দোকান বন্ধ করে সেই স্থানে গেলাম, একটু সামনে গিয়েই দেখি চার পাঁচ জন মেয়েটাকে ঘিরে রেখেছে। তাদেরকে সরিয়ে ভিতরে ডুকে দেখলাম সেই মেয়ে টা পরে আছে। রক্তত্ব শরীর নিয়ে। তার শরীরের জামাকাপড় গুলোও ঠিক নেই। একজন ব্যক্তি একটা গামছা দিলো। তা দিয়ে মেয়েটাকে ঢেকে দিলাম ভালো ভাবে।
--তারপর জিজ্ঞেস করলাম কে করলো এই অবস্থা তোমার?
সব সময়ের মতো মুখে একটা হাসি নিয়ে খুব কষ্টে বললো......... এ.... এ... এখান দিয়ে আসছিলাম তারপর তারপর.. বাদ দেন ভাইয়া। আ.. আমি খুব টেনশনে ছিলাম আপনার টাকা গুলো দিতে পারবো কি না। এই নিন আপনার টাকা।
তারপর রক্তত্ব হাত নিয়ে কিছু টাকা বের করে আমর সামনে ধরলো। হাতের টাকা গুলো রক্তে লালা হয়ে গেছে। সে আবারও বলতে লাগলো ভাইয়া আমি ছাড়া আমার আম্মুর এই দুনিয়া কেউ নেই। আ.....আ..... বলেই সে চুপ হয়ে গেলো। আর কোনো কথা বলতে পারলো না! আমি নাড়ী চেক করে দেখি সে আর নেই! একটা ফুলের মতো প্রান চলে গেলে আবার এই দুনিয়া থেকে।
সব কিছু এতো তাড়াতাড়ি হলো যে তাকে হাসপাতালে নেওয়ার সময়টাও হলো না। কিছু পুরুষ নামক জঘন্য পশুর কারনে আজ আবারও একটা নিশফাফ প্রান এই পৃথিবী থেকে বিদায় নিতে হয়ছে।
.......................... সমাপ্ত................

সকল মন্তব্যগুলো (2)
মেয়েটা যদি ভালো পোশাক পড়ে থাকে তাহলে সব দোষ ছেলের আর যদি মেয়ের পোশাক বডি ল্যাঙ্গুয়েজ খারাপ হয় তাহলে ধর্ষণ করে ঠিক কাজ করেছে
very nice.