পিতামাতার আনুগত্য

আমাদের পত্যেকের উচিত পিতামাতার প্রতি যথাযথ খেদমত ও সদাচরণ করা। পবিত্র কুরআন ও হাদি৩ সুস্পষ্টভাবে পিতামাতার প্রতি সদ্ব্যবহার এবং তাদের খেদমতের বিষয়টি প্রতীয়মান। এ জন্য উলামায়ে কেরাম বলেন যে পর্যন্ত জিহাদ ফরজে আইন না হয় ;বরং ফরজের কেফার স্তরে থাকে, সে পর্যন্ত মাতা পিতার অনুমতি ছাড়া সন্তানের জন্য জিহাদে যোগদান করা জায়েয না। ফরজ পরিমাণ দ্বীনি জ্ঞান যার আছে, সে যদি বড় আলেম হওয়ার জন্য সেফর করতে চায়, তবে মাতা পিতার অনুমতি ছাড়া জায়েয হবে না।
মাতা পিতার আনুগত্যের ও তাদের সাথে সদ্ব্যবহারের অনেক তাকিদ ও ফযিলত রয়েছে :
১.আল্লাহ পাক মাতা পিতার প্রতি সদ্ব্যাবহার নির্দেশ দিয়ে বলেন -
আমি মানুষকে তার মাতা পিতার সাথে সদ্ব্যবহারের আদেশ দিয়েছি।
২. মাতা পিতার সন্তষ্টি অর্জনের গুরুত্বপূর্ণ করে মহানবি ( সা ) ইরশাদ করেন -
আল্লাহ সন্তষ্টি মাতা পিতার সন্তষ্টির মধ্যে আর আল্লাহর অসন্তুষ্টি মাতা পিতার অসন্তুষ্টির মধ্যে নিহিত।
৩. হাদিস শরিফে রয়েছে মায়েদের পদতলে সন্তানের জান্নাত ।
৪. মাতা পিতার অনুগত্যের ফযিলত বর্ণনা করে রসুল (সা) ইরশাদ করেছেন, যে স্বীয় মাতা পিতার অনুগত্য সে যখনি মাতা পিতার প্রতি সম্মান ও মহব্বতের দৃষ্টিতে সে একটি মকলুক হজ্জের সওয়াব প্রাপ্ত হয়।
৫.তাদের মনে কষ্ট দেয়া থেকে বেঁচে থাকার গুরুত্বপূর্ণ করে ইরশাদ করেন , সমস্ত গুনাহ আল্লাহর তায়ালা ক্ষমা করে দেন কিন্তু যে লোক পিতা মাতার নাপরমানি করে এবং তাদের মনে কষ্ট দেয় তাকে আখিরাতের পূর্বে দুনিয়াতেই বিভিন্ন বিপদাপদে ফেলেন। তবে মাতা পিতার সকল বৈধ আদেশ পালন করা সন্তানের জনয় ফরজ। অবৈধ ও গুনাহের কাজে তাদের কথা শুনা জায়েয নেই। এ সম্পর্কে হাদিস শরিফে রয়েছে -সৃষ্টিকর্তার নাফরমানির কাজে কোনো সৃষ্ট জীবের আনুগত্য করা জায়েয নেই।
৬. আল্লাহ তায়ালা কুরআনে ইরশাদ করেন - যদি তারা দুইজন তোমাকে আমার সাথে শিরক করতে চাপ প্রয়োগ করে যে ব্যাপারে তোমার জ্ঞান নেই, তবু তুমি তাদের আনুগত্য করবে না।


আশা করছি সবাই পিতা মাতার হক বুঝতে পেরেছ । যে মা তোমাকেদেরকে জন্ম দিয়েছেন তাকে তোমরা কখনোই অবহেলা করবে না।
181 Views
1 Likes
1 Comments
5.0 Rating
Rate this:
(1)

মন্তব্য

সকল মন্তব্যগুলো (1)

Reader photo
Unknown
12-Jul-2025, 05:36 PM

👍👍👍

তামান্না চৌধুরী
তামান্না চৌধুরী
23-Jul-2025, 07:43 PM

🍌🥵