কুমিল্লায় একটি সুন্দর গ্রাম ছিল।
গ্রামটি যেমন ছিল সুন্দর তেমনি ছিল ভয়ংকর। , রাত এগারোটার পর ওই গ্রামে ভূত প্রেতাত্মা ঘুরে বেড়ায়। শুধু একজন একথা বিশ্বাস করত না। সে সব সময় বলতো ভূত প্রেতাত্মা বলতে কিছু হয় না। তার নাম ছিল বাপি। সে টিউশনি করে নিজের খরচ চালাতো তার বাসায় তার অসুস্থ মা। সে সন্ধ্যায় সাতটায় টিউশনি করতে যেত। সেরকমই একদিন সন্ধ্যায় সে তার ছাত্রীর বাড়িতে পড়াতে যায় কিন্তু সেখানে গল্পগুজব করতে করতে রাত ১১ টা বেজে যায়। সে তখন সেখান থেকে রওনা দেয়। সে যেহেতু ভূত আত্মা বিশ্বাস করত না তবুও তার কেমন জানি ভয় হতে লাগলো। সে যখনই তাদের গ্রামের ব্রিজে আসলো দূরে কে যেন দাঁড়িয়ে আছে। দেখতে ঠিক ভয়ংকর লাগছিল, সে একপা দুপা করে এগোতে লাগলো দেখলো সেই ছায়া টা আস্তে আস্তে বড় হচ্ছে। তার মনে হল এটা নিশ্চয়ই সেই ভুত, গ্রামের সবাই ঠিক কথা বলে। তাই সে বিসমিল্লা বলে ভূতটার গায়ে উপরে পড়ল। সে একদম রক্তাক্ত হয়ে গেল। সে দ্রুত নিজের প্রাণ বাঁচিয়ে বাসায় এলো, মাকে ডাক দিল, মা,,,,, মা,,,,,। মা তখনই বাইরে এলো, আর বলল : কিরে তোর এই অবস্থা হলো কি করে?
সে বলল : তোমাদের সেই ভূতকে আমি মারতে গিয়ে আমার এ অবস্থা।
মা বলল: তা তুই ভূতের উপর কেন হামলা করতে গেলি!
সে বলল : এটাই তো আমার বড় ভুল। তোমরা যাকে ভূত বলে চেনো সে আসলে ভূত নয়,
মা বলল: তাহলে কে সে?
সে বলল: সেটা ছিল খেজুর গাছ। 🤣🤣🤣🤣😂😄😂😄
ভূত দেখলাম সরাসরি, দেখে আমি গড়াগড়ি !
অডিও মোড
00:00
00:00
গতি:
ভলিউম:
1.59K
Views
90
Likes
14
Comments
3.8
Rating