মেহেদী পরে রাকিব কে কল দেয়। পরে আমায় কল দেয়।
মেহেদী :দোস্ত টেনশনের কিছু নাই।
আমি:মানি কি বলচ তুই এগুলো। টেনশন না করতে!
মেহেদী:আরে স্যার তোকে ও কল দেয় নাই রাকিব কেও কল দেয় নাই তার মানে মেয়েটা স্যারের কাছে বিচার দেয় নাই।
আমি:হুম সেটাও ঠিক বলছস। কিন্তু কালকে যদি মেয়েটা তার বাবা কে কলেজে নিয়ে আসে তখন কি হবে।
মেহেদী:আচ্ছা চিন্তা করিস না এখন ঘুমা কালকের টা কালকে দেখা যাবে।
আমি:আচ্ছা বায় ঘুমা।
আমার কি চোখে ঘুম আসে। পুরা রাত টেনশনে চিলাম। সকাল হতে না হতে ঘুম থেকে উঠে ফজরের নামাজ পড়ার জন্য মসজিদে চলে গেলাম। নামাজ শেষে আল্লাহ্ কাছে দোয়া করলাম আল্লাহ্ যাতে আজকে মেয়ে টার সাথে কোনো ভাবে আমার সাথে দেখা না হয়। এবং তার বাবা কে যাতে কলেজে না আনে। তারপর স্যার দের কাছে ও যাতে বিচার না দেয়। অনেক চিন্তা টেনশন নিয়ে আবার বাসায় আসলাম। মা আমার দিকে তাকাই কথা ও বলে না। কারণ কলেজের প্রথম দিনে ক্লাস না করে উল্টা একটা সমস্যা করে বাসায় আসলাম মা আমার উপর রেগে আছে। মা নাস্তা রেডি করে আমায় ডাক দিলো নাস্তা খাওয়া জন্য।
মা: আজকে কি কলেজে যাইবেন না কি?
আমি:হুম যাবো তো মা।
মা:আপনি তো সব সময় জান।কিন্তু ক্লাস টাই শুধু করেন না।
আমি:মা ক্লাস শুরু হলো মাত্র একদিন তার মধ্য একটা সমস্যা হইছে এজন্য এতো আমি বাসায় চলে আসলাম।আজকে থেকে ঠিক মতো ক্লাস করবো।
মা:আচ্ছা নাস্তা কর আর রেডি হও কলেজের সময় হয়ে যাচ্ছে।
মোটামুটি কষ্ট করে নাস্তা টা খেয়ে নিলাম। ভিতরে ভিতরে তো আমি টেনশনে শেষ আজকে জানি কি হয় আল্লাহ্ ভালো জানে। রাকিব কে কল দিলাম।
আমি:রাকিব কই তুই?
রাকিব:এতো রেডি হচ্ছি।
আমি:আচ্ছা রেডি হয়ে মেহেদী কে নিয়ে আমাদের বাসা চলে আয় এক সাথে যাবো।
রাকিব:আচ্ছা আমি মেহেদী কে কল দিতেছি।
আমি:হুম তাড়াতাড়ি আয়। এমনি টেনশনে আছি।
রাকিব: আচ্ছা আসতেছি।আর টেনশন করিস না।
আমি:তাড়াতাড়ি আয়। কলেজে তাড়াতাড়ি ডুকতে হবে।
তারা দুইজনে প্রায় আধা ঘন্টা পরে আসে।
কলেজের দিকে রওনা হলাম। অনেক টেনশন নিয়ে কলেজের গেটে এসে পৌছালাম।......
কলেজে ডুকে চারপাশে তাকিয়ে দেখলাম কোথাও দেখা যায় কি না। চারপাশে তিনজনে মিলে ভালো করে দেখলাম। কোনো দিকে দেখা যাচ্ছে না। ভয়ে ভয়ে ক্লাসে চলে গেলাম। প্রথম ক্লাসের টিচার আসে। আমি একটু ভয়ে চিলাম কারণ আবার যদি ডাক দেয়। স্যার এসে ক্লাস শুরু করলো যাক কিছু বলে নাই। একবার যে ক্লাসে ডুকছি আর ক্লাস থেকে বাহির ও হয় নাই ভয়ে। সব গুলো ক্লাস শেষ টেনশন একটু কমলো।
ক্লাস থেকে বাহির হতে না হতে দেখি মেয়েটা দাঁড়িয়ে আছে।
(চলবে),,,,
বি:দ্র: প্রিয় পাঠক/পাঠিকারা আপনারা সবাই গল্প ঠিকই পড়েন, কিন্তু একটা লাইক দেওয়ার সময় পান না (~_~;)
🥺🥺
বড় আপুর ক্রাশ
56
Views
2
Likes
1
Comments
5.0
Rating

সকল মন্তব্যগুলো (1)
সরি আর একটা কথা বলতে ভুলে গেছিলাম গল্পটিতে আমি ফাইভ রেটিং দিয়েছি আচ্ছা গল্পটা হচ্ছে খুব ভালো লেগেছে যদি আপনাদের কোন সোশ্যাল মিডিয়ায় চ্যানেলটি শেয়ার করতে চান তাহলে অবশ্যই শেয়ার করে দিবেন