আপু আর তিথী শুয়ে গল্প করছে । হঠাৎ গল্পের মাঝখানে তিথী বললো,,,,,,
তিথীঃ আচ্ছা জান্নাত একটা কথা বলবো ।
আপুঃ হুমম বলো,,,
তিথীঃ আমাকে তোমার ভাবী হিসেবে কেমন লাগে ?
আপুঃ কিহহহহহহহহহহ
তিথীঃ শুনতে পাও নি ?
আপুঃ পাইছি । কিন্তু কি উল্টাপাল্টা বকতেছো । ও তোমার কত ছোট জানো সেটা ।
তিথীঃ হুমম জানি ।
আপুঃ তাহলে এগুলো বলতেছো কেন ?
তিথীঃ তোমার ভাইয়া তোমার সাথে সব কথাই শে*য়া*র করে তাই না ।
আপুঃ হুমম । কেন ।
তিথীঃ তোমার ভাইয়া যে আয়শা নামের একটা মেয়ের সাথে কথা বলে সেটা কি তুমি জানো ।
আপুঃ না এগুলো তো কখনোই বলে নি । আর তুমি জানলে কেমনে ?
তিথীঃ কারন ওর সাথে কথা বলা মেয়ে আয়শা হলো আমি ।
আপুঃ কিহহহহহ ।
তিথীঃ হুমম । আমার না আয়েশা আক্তার তিথী ।
আপুঃ সব কিছু আমার মাথার উপর দিয়ে যাচ্ছে ।
তিথীঃ বিশ্বাস হচ্ছে না তাই তো । ওয়েট ।
এটা বলে তিথী আমাদের সব কনভারশেসন আপুকে দেখালো । তারপর বললো,,,,
তিথীঃ এবার বিশ্বাস হলো তো ।
আপুঃ হুমম কিন্তু ও তো কখনো এ ব্যাপারে কিছুই বলে নি ।
তিথীঃ তা আমি জানি না ।
আপুঃ তুমি কি আমার ভাইয়ার জন্যই এই বগুড়া শহরে এসেছো ?
তিথীঃ হুমম তোমার মনে আছে তোমাকে আমি বলেছিলাম একটা কাজে এখানে আসা ।
আপুঃ হুমম মনে আছে ।
তিথীঃ রাকিব আমাকে শর্ত দিয়েছিল কারো হেল্প ছাড়াই তাহলে আমি তাকে খুঁজে বের করতে পারি তাহলে সে আমাকে ভালোবাসবে এবং বিয়েও করবে । তাই আমি তার ভালোবাসার জন্য এতো দূর ছুটে আসি ।
আপু মনে হয় আকাশ থেকে পড়তেছে এমন রিয়াকশন দিতাছে । তারপর তিথী আবারো বলতে শুরু করলো,,,,,,
তিথীঃ আজকে আমি ওর জন্যই জ্ঞান হারিয়ে ছিলাম । আমি ভাবতেই পারি নি এতো তাড়াতাড়ি ওর সাথে আমার এভাবে দেখা হবে । তাই শকট নিতে না পেরে অজ্ঞান হয়ে যাই ।
আপুঃ হুমম এবার বুঝলাম । কিন্তু আরেকটা কথা ?
তিথীঃ কি ?
আপুঃ ও তোমাকে দেখে চিনতে পারলো না কেন ?
তিথীঃ কারন ও আমাকে কখনো দেখেই নি ।
আপুঃ কেন ?
তিথীঃ ও পিক চাইছিল । কিন্তু বলেছি যেদিন সামনে যাবো তখন ই একবারে দেখে নিও । তারপর ও বলেছিল তখন তো চিনতে পারবো না । আর দেখো আজকে সেটাই হলো । ও আমাকে চিনতে পারে নি ।
আপুঃ তাহলে এখন কি করবা ?
তিথীঃ ওকে এখন ই জানাবো না । সরাসরি ওকে প্রোপজ করে ওকে সারপ্রাইজ দিবো । তুমি শুধু একটু পাশে থেকো প্লিজ ।
আপুঃ বান্ধবীকে নিজের ভাইয়ের সাথে প্রেম লাগিয়ে দিচ্ছি । কি কপাল আমার ।
তিথীঃ থাক আর কপালের দোষ দিও না ননদিনী ।
আপুঃ কে তোমার ননদ ।
তিথীঃ কেন তুমি ।
আপুঃ ও হ্যালো এখনো বিয়ে হয় নি । সো কোনো ননদ নয় । আগে হোক দেখা যাবে । আর আমার ভাইকে পটানো এতো সহজ নয় ।
তিথীঃ তোমার ভাইয়ার উইক পয়েন্ট আমি জানি সো কোনো চিন্তা নেই ।
আপুঃ কি শুনি ।
তিথীঃ সিনিয়র মেয়ে ।
আপুঃ কিহহহ ।
তিথীঃ দাঁড়াও তোমার ভাইয়ার সাথে একটু কথা বলি ।
বলেই তিথী অনলাইনে এলো । এসেই আমাকে মেসেজ করলো,,,,,
আয়শাঃ হাই আমার কিউট পিচ্চি টাহ ।
আয়শার মেসেজ দেখে আমি অনেক খুশি হলাম । তারপর রিপ্লেই দিলাম,,,,
আমিঃ হ্যালো । সারাদিন কই থাকেন । একবার ও কি আমার কথা মনে পড়ে না ।
আয়শাঃ ওরে বাবা আমার পিচ্চি টা দেখি রাগ করেছে । আচ্ছা বাবা সরি ।
আমিঃ সরি কি ব্যাথার বরি ।
আয়শাঃ তুমি কি ব্যাথা পাইছো ?
আমিঃ সেটা আপনাকে জানতে হবে না ।
আয়শাঃ বললাম তো সরি । এখন থেকে তুমি যখন বলবা তখন ই অনলাইনে আসবো । হলো ।
আমিঃ হুমম আচ্ছা ঠিক আছে । আপনি নাকি আমাকে খুঁজতে বগুড়া আসবেন ? কোথায় এলেন না তো ?
তারপর আয়শা বললো,,,,,,,,,,,,,,,,,
""
""
""
চলবে,,,,,,,,,,,,,,,,
পরবর্তী পর্বের জন্য অপেক্ষা করুন । ধন্যবাদ ।
ছোট্ট লেখকের প্রেমে (পর্ব ৯)
অডিও মোড
00:00
00:00
গতি:
ভলিউম:
227
Views
13
Likes
3
Comments
4.6
Rating