এই মন তোমার

এই মন তোমার
হাতে ব্যথা পেয়েছো।" “না পাইনি”। “ও আচ্ছা আমি ভাবলাম হয়তো তোমার......।” “তোমার আর ভাবতে হবে না, শোনো আমার দেরি হয়ে যাচ্ছে তাড়াতাড়ি চলো।” নিহান আমাদের দিকে তাকিয়ে আছে । বুঝতে পারছে না হঠাৎ করে কি হলো । আমি পৌঁছে গেছি আমার গন্তব্য স্থলে । আমাকে রাহাত বোঝাচ্ছে আমি বুঝতে পারিনি মৌ । আমার মন খারাপ আমার জামা ছিড়ে গেছে। আজকে বান্ধবীদের সাথে লাঞ্চ করতে যাওয়ার প্ল্যান আছে। কিন্তু আমি যেতে পারবো না। রাহাতের ফোন আসে
, তাকে যেতে হবে তার ক্যাম্পাস এ তার স্যার
এসেছে। ও আচ্ছা আমি কে, আমি সাবিহা মৌ ।
একটু আগে আমার সাথে যে ছিল আমার বেস্ট
ফ্রেন্ড রাহাত আমি ওকে পছন্দ করি । আর বেশ
কিছুক্ষণ আগে আমার সাথে যার ধাক্কা লেগেছিল
সে হলো নিহান আমাদের ক্যাম্পাসের সবথেকে
হ্যান্ডসাম বয় । ওইযে বসে থাকতে থাকতে বান্ধবী
চলে এসেছে সানজানা, কিরে মৌ তুই একা বসে
আছিস এখানে আর কি করবো বল
কেন কি হয়েছে রাস্তায় আসতে
আসতে একটা শয়তান ছেলের সাথে ধাক্কা লেগেছে
তার ধাক্কা লেগে জামা ছিড়ে গেছে বলিস
কিরে, তা কে এসে তোকে ধাক্কা দিলে জানতে হচ্ছে
তো\আরে নিহান কি বলছিস কি নিহান। কিভাবে
হলো ভাই একটু বলতো ? তিরিশ মিনিট আগে কি
হয়েছিল শোন তাহলে -রাহাত আমাকে ক্যাম্পাস
থেকে তা ওর সাইকেলে করে নিয়ে এখানে
আসছিল ঠিক তখনই নিহানের সাইকেল আমাদের
সাইকেলের সাথে ধাক্কা লাগে তারপরে আমি পড়ে যাই নিহানও পড়ে যায় । মৌ কে যেন ফোন করছে-
হ্যালো কে? যার ফোন ধরে আছো তাকে চিনো না।
মানে? ভালো করে দেখো এটা আমার ফোন ।আরে আসলে ই তো এটাতো আমার ফোন না । তুমি কে? আমি নিহান। তোমার ফোন নিয়ে যাও তোমার ফোন আমার কাছে ।কোথায় আসবো? তিন নাম্বার ক্যাম্পাসে আসো। আসছি। মৌ রাহাতকে ফোন দিয়েছে তাকে নিতে আসার জন্য কিন্তু রাহাত আসছে না তাই নিজে নিজেই হাঁটতে হাঁটতে পাশের ক্যাম্পাসে দিকে জেতে থাকে। মৌ আর নিহানের দেখা হয় । তারা কথা বলছে । নিহান বলছে, “মৌ এক্সিডেন্টের সময় হয়তো তোমার আমার ব্যাগ এক্সচেঞ্জ হয়ে গেছে।” ভালো করে দেখে নাও কোন জিনিস এলোমেলো হয়েছে কিনা। হ্যাঁ আমি দেখছি, মৌ। সোনো নিহান, ধন্যবাদ

চলবে.....
15 Views
0 Likes
0 Comments
0.0 Rating
Rate this:
(0)

মন্তব্য

কোন মন্তব্য নেই

সকল পর্ব