তোমার অপেক্ষায় (পর্ব ২)

দুপুর সেই কড়া রোদে নিস্তেজ বাড়িটায় কেও একজন চিৎকার করে উঠলো সেই আর্তনাদ ঘরে চার কিংবা পাচজন লোক ছারা কেউই শুনতে পেলো না.... ইজি চেয়ারে বসা লোকটা এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে ফরিদ নামের লোকটার দিকে।
আমাকে মাফ করে দেন ভুল হয়ে গিয়েছে আমার.... আমি এই বেপারে কাওকে কিছু বলবো না এই বলে ফরিদ হাওমাও করে কান্না করতে লাগলো.....এতেও জেনো মায়া হলোনা লোকটার.... সে কিছু ইশারা করতেই তার লোক গুলো ফরিদকে চিরকালের জন্য পৃিথিবী থেকে বিদায় করে দিলো।
একে এমন জায়গায় গুম কর জাতে কেও এর খোজ না পায়।লোকটি সেই ঘড় থেকে থমথমে মুখে বেড় হয়ে নিজ গন্তব্য রওনা করলো

**********************
আাজকে জেনো আরিফ শেখ এর বাড়িতে খুশির রোল পরে গিয়েছে কেননা আজকে তার একমাএ নাতি দেশে ফিরছে... পড়াশুনার জন্য দূর প্রবাসে পারি জমিয়েছিলেন আরাফ... অপেক্ষার প্রহর আজ শেষ হলো জেনো বাড়িতে হরেকরকম রান্নার আয়োজন চলছে। আরিফ শেখ এর দুই ছেলে আনোয়ার ও কালাম এবং এক মেয়ে সুরাইয়া বেগম..... আনোয়ার প্রবাসে থাকলেও কালাম আরিফ শেখ এর সাথে থেকে ব্যবসা সামলান।আনোয়ার এর এক ছেলে এক মেয়ে বড় ছেলে আরাফ আজ দেশে ফিরবে।
পূর্ণ মা......রান্না ঘর থেকে ওমেনই ডাক পরলো পূর্ণতার। পূর্ণতা কালাম এর একমাএ মেয়ে। মাহমুদর ডাক শুনে পূর্ণতা ওমনেই রান্নাঘর দিকে ছুটলো
_কিছু লাগবে আম্মা........ ওমনেই মুখের কথা কেরে নিয়ে কামেনি বলে উঠলো..
_লাগবে কেনো তুই ঘরে জেয়ে শুয়ে থাক বিয়ের পর তো স্বামীর সংসার গিয়ে শুধু রূপ দেখালে চলবে না কাজ কাম ও করতে হবে। বড় চাচির কথা শুনে মুখটা কালো করে ফেললো পূর্ণতা..... এই একমাত্র মানুষ যে কিনা দুই চোখে সয্য করতে পারে না তার একটাই কারন পূর্ণতার সৌন্দয্যে।
_মাহমুদা কিছু বলতে লাগবে তার আগেই কামেনি বলতে লাগলো_
_হয়েছে হয়েছে মেয়ের হয়ে আর ছাফাই গাইতে আসবে না।
বয়েস এবং সম্পর্কে বড় বলে চুপ থেকে গেলেন.... ইশারায় পূনতাকে কাছে ডাকলেন.... পূর্ণতাও গুটি গুটি পায়ে মার সামনে গেলো মাহমুদা মেয়েকে কাজ গুলো বুঝিয়ে দিলে পূর্ণতা কাজে বেস্ত হয়ে গেলো। ওমনেই রান্না ঘরে হুরমুরিয়ে ঢুকলো জান্নাত.... জান্নাত কামেনি বেগম এর ছোট মেয়ে। এসেই বলেত লাগলো _
আম্মা খুদা লাগছে খাইতে দাওতো ওমনেই কামেনি মেয়েকে নিয়ে বেস্ত হয়ে পরলেন ঠিক সেই সময় বাড়িতে আগমন ঘটলো সুরাইয়া বেগম এর।

________________________________________

আরিফ শেখ খবর কাগজ পড়ছিলেন সুরাইয়া বেগমকে দেখে তিনি দাড়িয়ে গেলেন.... সুরাইয়া আরিফ শেখ এর সামনে গিয়ে সালাম করলো আরিফ শেখ ও মেয়ের মাথায় হাত বুলিয়ে দিলান।
ফায়াদ ফাহাদ এবং ফারিন ও আরিফ শেখ কে সালাম দিলো।
_ তোরা কি ওখানেই দাড়িয়ে থাকবি নাকি??সুরাইয়া বেগম এর কথায় নিধি নিতী আর ফায়াদ এর তিন বন্ধু অনিক নাইম ও আকাশ ভিতরে আসলো।
ভালো আছেন নানাভাই??নিধির প্রশ্নে আরিফ শেখ বললো_
_ ভালো। তোমরা কেমন আছো?
_ভালো।
_নিধির আর নিতি হলো সুরাইয়া বেগম এর বড় জার মেয়ে।
সুরাইয়া বেগম এর দুই ছেলে এক মেয়ে। ফায়াদ ফারিন আর ফাহাদ।ফায়াদ পেশায় একজন ডাক্তার ফারিন এবার এসএসসি দিয়েছে আর ফাহাদ শবে ৫ম শ্রেণিতে।

চলবে...... 🦋
760 Views
3 Likes
3 Comments
3.0 Rating
Rate this:
(2)

মন্তব্য

সকল মন্তব্যগুলো (3)

Reader photo
অভি ইসলাম
21-Aug-2024, 11:20 AM

অনেক সন্দর গল্প 😊

Reader photo
রনি
21-Aug-2024, 12:17 AM

পরের পর্ব দিন

Reader photo
রনি
21-Aug-2024, 12:16 AM

ভালো লাগলো🥰

সকল পর্ব